You are currently viewing এফবিসিসিআই বাজেট ২০২০ এ্যাবস্ট্রাক্ট (FBCCI Budget 2020 Abstract)

এফবিসিসিআই বাজেট ২০২০ এ্যাবস্ট্রাক্ট (FBCCI Budget 2020 Abstract)

  • Post comments:0 Comments

FBCCI Budget 2020 Abstract

2020 budget will be Covid19 realities reflected continuous budget based on seventh five year plan with outlook of vision 2021 & 2041.

Stimulus grants and loans for informal employers 700 cr, 1100 cr for non bankable entrepreneurs, 1200 cr direct cash deposit before eid, expat 200 cr, food distribution to 4.5 crore people, ration for 50 lakh, 5000 cr agriculture loan, 5000 cr export salary loan, 20,000 cr sme loan, 30,000 cr large industry loans etc were declared and it will likely have a roadmap over the next three budgets. Loan stimulus was judicious first phase of intervention. In second phase which budget may also reflect are tax vat customs interventions for businesses and grants for smes to sustain next one year and revive in the following two years considering projected domestic and export shrinkage of 30%.

AIT (advance income tax) rate should be revised from 5% to 3% which should be adjustable if lesser than 3%.

AT (advance tax) should be withdrawn on industrial raw materials and for commercial imports it should be adjustable through proper mechanism without delay. Rebatable Vat needs to be revised from 15% to 10% while
other non rebatable multiple vat rates need to be revised as it adds inflationary pressure to end users.
Vat on turnover of 3 cr BDT should be revised from 4% to 2%.

Vat should be exempted in economic zones (EZ) as per earlier EZ policies. Policy consistency for investment friendly environment will only supplement all the progressive measures of the government. Custom duties should be adjusted to facilitate further industrial growth, investment and job creation.
Under Covid19 luxury products may be discourage through customs tools which may be a revenue source.
Export source tax should be revised considering export shrinkage due to Covid19 for next one year. Corporate tax should be revised to 25% over the next three years.

Vat, Income tax, customs, Brta etc should be under a linked system whereas vat online is implemented in real sense. Globally construction is a priority sector in post Covid19 economies. Therefore, domestic and commercial realestate purchase financing schemes for consumers may be introduce for 25-30 years, a percentage of banks’ and NBFIs’ exposure should be earmarked for real estate purchases.

Due to Covid19 priority investment scheme in all productive sectors such as Real estate sector should be allowed without penalty and prejudice for next 5 years including capital market investment schemes. All income tax exemption ceiling should be increased as per inflation since 2015. Exempt all independence war veteran income tax. Super tax is tax on tax and discourages wealth creation it should be minimised if not exempted.

Smes such as agriculture, retails, women entrepreneurs, restaurants, domestic fashion industry, light engineering, service sectors, hospitality, tourism, logistics etc. are the backbone of our economy. Though these sections are not revenue target but they create jobs, assists in consumer spendings and helps in money circulations. In addition to above stated, smes should be considered for applicable tax, vat moratorium, discounts and/or exemptions for next one years. Actionable policy measures to include them in the formal economy should be executed so as we move towards LDC graduation our smes may position themselves to be part of global value chain. Government may consider forty year low cost financing from ADB, WB, IDB etc to provide grants to smes who avail 20,000 cr package.

There have been a downward trend in revenue mobilisation. The above stated measures will add on to the challenge. These shortfall of revenue may be adjusted through deficit financing through multi national financial sources, diverse financing instruments, restructuring of annual development program, reprioritise nontime sensitive projects, austerity in unproductive expenditures, limited customs tools, non revenue sources and widening of tax and vat nets. By 2023 widening of tax, vat net in compliance with LDC status will assist in greater revenue where Fbcci members are willing to extend support. Inclusive revenue framework adjustments inline with contemporary LDC countries will assists to encourage greater domestic and foreign direct investments (FDI).

These are trying times where many enterprises will loose businesses and more individuals life will change for the worst as we know it. Over the last decades private sector contributed substantially in employment generation, money circulation and revenue while government created environment. Under present realities we consider the revisions of revenue framework will assist enterprises along with numerous stimuluses government have progressively initiated. We acknowledge the challenges NBR have but we are willing to work with you so revenue shortfalls are minimised in short term through widening of net and revenue growth is sustained through a wider revenue net, scientific projection and LDC compliant industrialisation friendly revenue framework.

এফবিসিসিআই বাজেট ২০২০ এ্যাবস্ট্রাক্ট

২০২১ এবং ২০৪১ ভিশন এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার আলোকে প্রণীত বাজেটে কোভিড-১৯ এর বাস্তবতা প্রতিফলিত হবে বলে আমরা আশা করি।

কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবেলায় সরকার ৪.৫ কোটি মানুষকে খাদ্য সহযোগিতা, ইনফরমাল সেক্টরে কর্মরতদের আর্থিক সহযোগিতায় ৭০০ কোটি, প্রবাসী কর্মীদের জন্য ২০০ কোটি, এসএমই শিল্পের ২০ হাজার কোটি, বৃহৎ শিল্পে ৩০ হাজার কোটি, রপ্তানি শিল্পে ৫ হাজার কোটি, কৃষি খাতে ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষনা করেছে। এ কর্মসূচী বাস্তবায়নে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ থাকবে বলে আমরা আশা করি।

সরকার ঘোষিত প্রনোদনা লোন প্রথম পর্যায়ের (First phase) সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ এবং রপ্তানি বাণিজ্য ৩০% কমে যাওয়া এবং ভোক্তা চাহিদা কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে আগামী ২ বছরের জন্য এসএমই খাতকে ট্যাক্স, ভ্যাট সুবিধা ও অনুদান সম্বলিত বাজেটারি সহায়তা দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

অগ্রিম আয়কর (এআইটি) ৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৩ শতাংশে নির্ধারন এবং সমন্বয়যোগ্য করার জন্য সুপারিশ করছি। শিল্পের কাঁচামালের ক্ষেত্রে অগ্রিম কর (এটি) প্রত্যাহার এবং অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন রকম বিলম্ব ছাড়াই সমন্বয়যোগ্য করার প্রস্তাব করছি।

রিবেটেবল ভ্যাট সংশোধন করে ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য একাধিক করহারসমূহ (মাল্টিপল রেট) এর প্রয়োগ পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করার প্রস্তাব করছি। বার্ষিক টার্ণওভার ৩ কোটি টাকার ক্ষেত্রে ভ্যাট ৪% থেকে হ্রাস করে ২% করার প্রস্তাব করছি।

অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহের জন্য ভ্যাট ছাড় দেয়া যেতে পারে। শিল্প উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করার লক্ষ্যে আমদানি শুল্ক (কাস্টমস ডিউটি) সমন্বয় করা যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন কাস্টমস টুলস ব্যবহার করে বিলাসী পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করা যেতে পারে যা রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে যেহেতু রপ্তানি সংকোচিত হচ্ছে সেজন্য আগামী ১ বছরের জন্য রপ্তানী খাতের উৎস করসমূহ সামঞ্জস্যপূর্ন করা যেতে পারে। কর্পোরেট ট্যাক্স সংশোধন করে পরবর্তী ৩ বছরের মধ্যে ২৫% এ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করছি।

ভ্যাট, আয়কর ও শুল্ক একটি নির্ধারিত ব্যবস্থার অধীনে সংযুক্ত করা যেতে পারে যেখানে ভ্যাট অনলাইন বাস্তবিক অর্থে প্রয়োগ করা হবে।

কোভিড-১৯ পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী যেহেতু নির্মাণ (কনস্ট্রাকশন) খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে সেজন্য আগামী ২৫-৩০ বছরের জন্য স্থানীয় ও বাণিজ্যিক রিয়েল এস্টেট ফিন্যান্সিং স্কীম চালু করা যেতে পারে। সেসাথে ব্যাংক এবং এনবিএফআই (NBFI) সমূহ তাদের প্যাকেজের একটি অংশ রিয়েল এস্টেট খাতের জন্য সুনির্দিষ্ট করে রাখতে পারে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারনে সকল উৎপাদনশীল খাত বিশেষ করে রিয়েল এস্টেট সেক্টরে অগ্রাধিকারমূলক বিনিয়োগ স্কীম কোন প্রকার জরিমানা ও আইনগত প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই আগামী ৫ বছরের জন্য অনুমোদন করা যেতে পারে।

২০১৫ সাল থেকে মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে সকল আয়কর ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব করছি। সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আয়করের আওতার বাহিরে রাখার প্রস্তাব করছি।

এসএমই খাত বিশেষ করে কৃষি, খুচরা বিক্রয় খাত (রিটেইলস), মহিলা উদ্যোক্তা, রেস্টুরেন্ট, স্থানীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, সেবাখাত, হোটেল ট্যুরিজম, লজিস্টিক ইত্যাদি আমাদের অর্থনীতির মেরুদন্ড। যদিও এ খাতগুলি রাজস্ব আয়ের জন্য বিবেচিত নয় তথাপি এগুলি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, ভোক্তা ব্যয় বাড়াতে এবং অর্থ সঞ্চালনে সহায়তা করে। এসব খাতের জন্য পরবর্তী ২ বছরে যুক্তিসঙ্গত কর, ভ্যাট মোরাটোরিয়াম/ছাড় বিবেচনা করা যেতে পারে।

উন্নয়ন সহযোগী বিশেষ করে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি এবং আইডিবি থেকে ৪০ বছরের জন্য নমিনাল কস্ট-এ তহবিল গ্রহনের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করতে পারে যা এসএমই খাতের যারা ২০ হাজার কোটি টাকা প্যাকেজ সুবিধা নিতে পারবে তাদের জন্য বরাদ্দ (গ্র্যান্ট) দেয়া যেতে পারে।

মাল্টি ন্যাশনাল ফিন্যান্সিং, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী পুনর্গঠন, অসময়োপযোগী সংবেদনশীল প্রকল্প, অনুৎপাদনশীল খরচ, সীমিত শুল্ক কাঠামো, রাজস্ব বহির্ভূত সম্পদ প্রভৃতি সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনা করার মাধ্যমে রাজস্ব ঘাটতি সমন্বয় করা যেতে পারে।

এলডিসি স্ট্যাটাস কমপ্লায়েন্স রেভিনিউ ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী ২০২৫ সাল নাগাদ ট্যাক্স ও ভ্যাট-এর নেট বাড়ানো হলে রাজস্ব আয় অনেক বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়। এফবিসিসিআই-এর সদস্যবৃন্দ এ ক্ষেত্রে যথাযথ সহায়তা করবে।


Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.