ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ
বাংলাদেশ ব্যাংক
প্রধান কার্যালয়
ঢাকা।

বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৩
তারিখঃ ০১আষাঢ় ১৪২৭ , ১৫ জুন ২০২০

ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী
বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক।

প্রিয় মহোদয়,

ঋণ শ্রেণীকরণ প্রসঙ্গে।

শিরোনামোক্ত বিষয়ে ১৯ মার্চ ২০২০ তারিখে জারিকৃত বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৪ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।

২। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনা ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় উল্লিখিত সার্কুলারের মাধ্যমে ঋণ শ্রেণীকরণের বিষয়ে এ মর্মে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল যে, ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণের শ্রেণীমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত সময়ে উক্ত ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণীকরণ করা যাবে না। তবে, কোন ঋণের শ্রেণীমানের উন্নতি হলে তা যথাযথ নিয়মে শ্রেণীকরণ করা যাবে।

৩। কোভিড-১৯ এর কারণে অর্থনীতির অধিকাংশ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার আশংকা থাকায় অনেক শিল্প, সেবা ও ব্যবসা খাত তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না। বর্ণিত বিষয়াবলী বিবেচনায় এবং ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতার ব্যবসায়ের উপর কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব সহনীয় মাত্রায় রাখার লক্ষ্যে ঋণ/বিনিয়োগ এর মেয়াদ/পরিশোধসূচী নির্ধারণ ও শ্রেণীকরণের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণীয় হবেঃ

ক) ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণ/বিনিয়োগের শ্রেণীমান যা ছিল, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সময়ে উক্ত ঋণ/বিনিয়োগ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণীকরণ করা যাবে না। তবে, কোন ঋণের/বিনিয়োগের শ্রেণীমানের উন্নতি হলে তা যথাযথ নিয়মে শ্রেণীকরণ করা যাবে।

খ) অনুচ্ছেদ-৩(ক)-এ বর্ণিত নির্দেশনা পরিপালনের লক্ষ্যে ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে বিদ্যমান মেয়াদী ( স্বল্পমেয়াদী কৃষি ঋণ ও ক্ষুদ্রঋণসহ) ঋণ/বিনিয়োগসমূহের বিপরীতে ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ সময়কালীন প্রদেয় কিস্তিসমূহ deferred হিসেবে বিবেচিত হবে। এক্ষেত্রে অক্টোবর/২০২০ হতে সংশ্লিষ্ট ঋণ/বিনিয়োগের কিস্তির পরিমাণ ও সংখ্যা পুনঃনির্ধারিত হবে। পুনঃনির্ধারণকালে জানুয়ারি/২০২০ হতে সেপ্টেম্বর/২০২০ পর্যন্ত যতসংখ্যক কিস্তি প্রদেয় ছিল তার সমসংখ্যক কিস্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সময়ের কোন কিস্তি পরিশোধিত না হলেও উক্ত কিস্তি সমূহের জন্য মেয়াদী ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা কিস্তি খেলাপী হিসেবে বিবেচিত হবেন না।

গ) ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে বিদ্যমান চলমান ও তলবী ঋণ/বিনিয়োগসমূহ এবং উক্ত তারিখ হতে ৩১ মে ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সময়ে সৃষ্ট তলবী প্রকৃতির ঋণ/বিনিয়োগ এর মেয়াদ/সমন্বয়ের তারিখ বিদ্যমান মেয়াদ হতে ৯(নয়) মাস বা ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ (যেটি আগে ঘটে) পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।

ঘ) অনুচ্ছেদ-৩(খ) ও ৩(গ)-এ বর্ণিতসুবিধা চলাকালীন ঋণ/বিনিয়োগের উপর সুদ/মুনাফার হিসাবায়নের ক্ষেত্রে এতদসংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা বলবৎ থাকবে। তবে, উক্ত সময়েঋণ/বিনিয়োগের উপর কোনরূপ দন্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি (যে নামেই অভিহিত করা হোক না কেন) আরোপ করা যাবে না।

ঙ) কোন গ্রাহকের উল্লিখিত সুবিধা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত না হলে পূর্বনির্ধারিত পরিশোধসূচী অনুযায়ী অথবা ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ/বিনিয়োগের অর্থ সমন্বয় করা যাবে।

৪। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আপনাদের বিশ্বস্ত,

মোঃ নজরুল ইসলাম
মহাব্যবস্থাপক
ফোনঃ ৯৫৩০২৫২

  • Our Location
  • The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI)
    60, Motijheel C/A, Dhaka, Bangladesh.
    Tel: 223381470,02-223350002
    Fax: 02-223355902
    E-mail: secretariat@fbcci.org

  • Our Map
  • Subscribe To Our Newsletter